আপনি সম্ভবত অফলাইনে আছেন। ইন্টারনেট ফিরে এলে অনুসন্ধান আবার কাজ করবে।

টাকা ফেরত ও চার্জব্যাক টুল: UPI প্রতারণা, ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা আর ভুয়ো ট্রেডিং অ্যাপ

কী ঘটেছে টুলকে বলুন। কোন RBI নিয়ম আপনার টাকা রক্ষা করে, আপনার সঠিক সময়সীমা আর কোনো ক্ষতিপূরণ প্রাপ্য কি না, তা দেখাবে। তারপর অভিযোগের চিঠি আর এক পাতার কেস-সারাংশ লিখে দেবে, যা দেখে ব্যাংক কর্মী ও পুলিশ দ্রুত কাজ করতে পারেন। বিনামূল্যে, বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দিতে।

  • ১০০% বিনামূল্যের স্বয়ংক্রিয় ব্যাংকিং ও আইনি নথি তৈরির টুল
  • শুধু আপনার ব্রাউজারে চলে
  • কোনো রিকভারি এজেন্সি নয়
  • নিয়ম rbi.org.in-এ যাচাই করা

গত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চলে গেছে? আগে জাতীয় সাইবার ক্রাইম হেল্পলাইনে ফোন করুন। ১৯৩০-এ জানালে কয়েক মিনিটের মধ্যে খবর টাকার পথে থাকা ব্যাংকগুলোর কাছে পৌঁছয়, আর যে টাকা এখনও তোলা হয়নি তা তারা আটকে দিতে পারে। তারপর চিঠির জন্য এখানে ফিরে আসুন।

১৯৩০-এ ফোন করুন

ধাপ ১: RBI-র নিয়মে আপনি কী পাবেন

RBI-র সুরক্ষা তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে: ক্ষতিটা কী ধরনের, কীভাবে টাকা দিয়েছিলেন, আর কত তাড়াতাড়ি জানিয়েছেন। ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে হওয়া লেনদেনে RBI-র সংশোধিত নির্দেশ প্রযোজ্য। মূল তথ্যগুলো দিন, টুল সঠিক নিয়মটি প্রয়োগ করবে।

টুল ১ · নিয়ম ও সময়সীমাশুধু আপনার ডিভাইসেই চলে

টাকা কাটার SMS বা ব্যাংকের অ্যাপে যে সময় দেখাচ্ছে, সেটা দিন।

ধাপ ২: প্রমাণের ফাইল ও চিঠি বানান

যা জানেন তা লিখুন। সবচেয়ে জরুরি আপনার নাম আর লেনদেনের তথ্য: UTR বা RRN নম্বর (UPI অ্যাপ বা ব্যাংক স্টেটমেন্টে পাবেন) আর যে অ্যাকাউন্ট বা UPI আইডিতে টাকা গেছে, তা থাকলে প্রতিটি চিঠি অনেক বেশি কাজের হয়। একই তথ্য থেকে টুল ছয়টি নথি বানায়, তাই কিছুই দুবার লিখতে হয় না।

টুল ২ · প্রমাণের ফাইলকিছুই আপলোড বা সংরক্ষণ হয় না

শুধু শেষ চারটি সংখ্যা। পুরো কার্ড নম্বর, CVV, PIN বা OTP কোথাও কখনও লিখবেন না।

লেনদেন

আধিকারিকদের জন্য কেস-সারাংশ সবসময় ইংরেজিতে, কারণ তাঁদের সিস্টেম ইংরেজিতে চলে।

ধাপ ৩: ধাপে ধাপে উপরে অভিযোগ

আগে নিজের ব্যাংকে লিখুন: আপনার দায় ঠিক করে আপনার ব্যাংকই, আর প্রাপক ব্যাংকের কাছে কেস তোলে সে-ই। উত্তর সন্তোষজনক না হলে নোডাল অফিসার, তারপর প্রিন্সিপাল নোডাল অফিসার, আর ৩০ দিনেও সন্তোষজনক উত্তর না এলে RBI ওম্বুডসম্যান। নিচের প্রতিটি যোগাযোগ ২৫ অক্টোবর ২০২৬-এ ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা।

থানার ইমেল দরকার? পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও উত্তরপ্রদেশের জন্য পুরো ডিরেক্টরি দেখুন।

আপনার টাকার জন্য কোন পথ

কী ঘটেছেপ্রথম পদক্ষেপRBI নিয়মকী পেতে পারেন
অননুমোদিত লেনদেন১৯৩০, তারপর ব্যাংক৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ২০১৭-র সার্কুলার; ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে RBI/2026-27/167তৃতীয় পক্ষের ব্রিচে সময়মতো জানালে শূন্য দায়: ৩ কার্যদিবস (২০১৭-র নিয়ম) বা ৫ ক্যালেন্ডার দিন (২০২৭-এর নিয়ম); ব্যাংকের ত্রুটিতে শূন্য দায়; OTP বা PIN দিলে জানানো পর্যন্ত দায় আপনার।
OTP বা PIN দিয়ে ফেলেছেন, বা পেমেন্ট অনুমোদন করেছেন১৯৩০, তারপর ব্যাংকএকই২০২৬ পর্যন্ত: জানানো পর্যন্ত ক্ষতি আপনার। ২০২৭ থেকে: ₹৫০,০০০ পর্যন্ত ক্ষতিতে নিট ক্ষতির ৮৫%, সর্বোচ্চ ₹২৫,০০০, জীবনে একবার, ব্যাংক ও ১৯৩০ বা পোর্টালে ৫ ক্যালেন্ডার দিনের মধ্যে জানালে এবং ব্যাংক ক্ষতিটা প্রকৃত বলে মানলে
ব্যর্থ লেনদেনব্যাংক বা UPI অ্যাপRBI/2019-20/67নিজে থেকে টাকা ফেরত, আর প্রতিদিনের দেরির জন্য ₹১০০
ভুল অ্যাকাউন্ট বা UPI আইডিসেদিনই ব্যাংকপ্রতারণার কোনো RBI নিয়ম খাটে নাপ্রাপকের সম্মতিতে বা আদালতের মাধ্যমে ফেরত
ভুয়ো ট্রেডিং বা বিনিয়োগ অ্যাপ১৯৩০ ও পুলিশসাধারণত অনুমোদিত লেনদেন ধরা হয়সময়মতো আটকানো টাকা পুলিশ বা আদালতের মাধ্যমে ফেরত

চার্জব্যাক, রিভার্সাল ও রিফান্ড: কী সম্ভব

কার্ড পেমেন্টে চার্জব্যাক হলো কার্ড নেটওয়ার্কের ডিসপিউট পদ্ধতি। আপনার ব্যাংক Visa, Mastercard বা RuPay-র মাধ্যমে একটি রিজন কোড দিয়ে ডিসপিউট তোলে: কার্ড ছাড়া অনলাইন প্রতারণায় Visa-র ডিসপিউট কন্ডিশন 10.4 আর Mastercard-এর রিজন কোড 4837; জিনিস বা পরিষেবা না পেলে Visa 13.1 আর Mastercard 4853। RuPay-তে NPCI-র ডিসপিউট নিয়মে ব্যাংক কোড বাছে। চূড়ান্ত কোড আপনার ব্যাংকই ঠিক করে।

Mastercard-এর নিজস্ব চার্জব্যাক গাইড (মার্চেন্ট সংস্করণ, ১৩ মে ২০২৫) যা বলে:

  • 4837 “No Cardholder Authorization” (কার্ডধারীর অনুমোদন নেই): পেমেন্টটি আপনি অনুমোদন করেননি, তা ব্যাংককে লিখিতভাবে জানাতে হবে; চার্জব্যাক তোলার আগে ব্যাংক লেনদেনটি Mastercard-এর কাছে প্রতারণা হিসেবে রিপোর্ট করে, সাধারণত লেনদেন প্রসেস হওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে। ATM থেকে টাকা তোলা বা PIN দিয়ে করা পেমেন্টে এটি চলে না, আর ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ডে (Mastercard Identity Check / 3-D Secure) যাচাই করা অনলাইন পেমেন্টেও সাধারণত নয়। সেসব দাবি RBI-র দায়-নিয়মের ওপর নির্ভর করে।
  • 4853 “Cardholder Dispute” (কার্ডধারীর বিরোধ): আপনার নিজের করা কেনাকাটার জন্য, যখন জিনিস বা পরিষেবা দেওয়া হয়নি, বিবরণের সঙ্গে মেলেনি বা ত্রুটিপূর্ণ, জিনিস নকল, রিফান্ড প্রসেস হয়নি, বা বাতিল করা সাবস্ক্রিপশনের টাকা তবুও কাটা হয়েছে। “বিবরণের সঙ্গে মেলেনি” দাবিতে আগে মার্চেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ বা যোগাযোগের চেষ্টা করতে হবে। বিনিয়োগ, ট্রেডিং বা জুয়ার ডিপোজিটে এটি শুধু সেই টাকার জন্য, যা প্রতিশ্রুত অ্যাকাউন্টে আদৌ জমা হয়নি; আটকে থাকা উইথড্রয়াল, “মুনাফা” বা লোকসানের জন্য নয়। সাধারণ সময়সীমা লেনদেন বা প্রতিশ্রুত ডেলিভারির তারিখ থেকে ১২০ দিন।

UPI আর ব্যাংক ট্রান্সফারে কার্ড নেটওয়ার্কের চার্জব্যাক নেই। UPI-র নিজস্ব ডিসপিউট প্রক্রিয়া আছে, যা NPCI-র নিয়মে চলে। মার্চেন্টকে UPI পেমেন্ট করলে যে অ্যাপে দিয়েছেন সেখানে ডিসপিউট তুলুন; তা NPCI-র ব্যবস্থায় আপনার ব্যাংকে যায়। কোন পথে যেতে হবে আর সময়সীমা কত, তা লেনদেনের ধরনের ওপর নির্ভর করে, তাই আপনার ব্যাংককে জিজ্ঞেস করুন। কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণার ট্রান্সফারে আসল বিষয় হলো ১৯৩০-এর মাধ্যমে প্রাপক অ্যাকাউন্ট কত দ্রুত ফ্রিজ হয়। ব্যর্থ লেনদেনে RBI-র সময়সীমার নিয়মে রিভার্সাল নিজে থেকে হয়। রিফান্ড মার্চেন্টের নিজের সিদ্ধান্ত।

ভুয়ো ট্রেডিং বা বিনিয়োগ অ্যাপে টাকা গেলে

ভুয়ো ট্রেডিং অ্যাপ, "VIP" স্টক গ্রুপ আর টাস্ক স্ক্যাম সাধারণত নকল মুনাফা দেখায়, তারপর টাকা তুলতে গেলে "উইথড্রয়াল ফি" বা "ট্যাক্স" চায়। এখনই টাকা দেওয়া বন্ধ করুন: প্রতিটি বাড়তি পেমেন্ট একই লোকেদের কাছে যায়।

  • ১৯৩০-এ ফোন করুন এবং প্রতিটি লেনদেন, অ্যাপের নাম ও লিংক, আর যে হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রাম নম্বরের সঙ্গে কথা হয়েছে তা দিয়ে cybercrime.gov.in-এ Online Financial Fraud-এ অভিযোগ করুন।
  • থানায় অভিযোগ করুন। আটকে থাকা টাকা পুলিশ আর সাধারণত আদালতের আদেশে ফেরত দেওয়া হয়।
  • SEBI-র SCORES শুধু SEBI-নথিভুক্ত সংস্থার বিরুদ্ধে, এক বছরের মধ্যে অভিযোগ নেয়। বেশিরভাগ ভুয়ো অ্যাপ নথিভুক্ত নয়, তাই SCORES এদের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারে না। টাকা দেওয়ার আগে যে কোনো "ব্রোকার"-কে SEBI Check-এ যাচাই করুন, আর নথিভুক্ত মধ্যস্থতাকারীকে শুধু তাদের যাচাই করা @valid UPI আইডিতে টাকা দিন।
  • ফি নিয়ে টাকা "উদ্ধার" করে দেওয়ার প্রস্তাব দ্বিতীয় প্রতারণা। পুলিশ বা ব্যাংক তদন্তের জন্য কখনও টাকা নেয় না।

ব্যাংক কর্মী, পুলিশ ও SEBI তদন্তকারীদের জন্য

আধিকারিকদের জন্য কেস-সারাংশ সব তথ্য এক পাতায়, ইংরেজিতে দেয়: অভিযোগকারীর তথ্য, কেসের ধরন ও প্রযোজ্য RBI কাঠামো, NCRP ক্যাটাগরি, প্রতিটি লেনদেনের তারিখ, অঙ্ক ও UTR বা RRN, প্রাপক বা সন্দেহজনক মিউল অ্যাকাউন্ট ও মোট অঙ্ক, প্ল্যাটফর্ম ও প্রতারকের পরিচয়-তথ্য, আর প্রস্তাবিত কার্ড ডিসপিউট রিজন কোড। অভিযোগের সিস্টেম যে ক্রমে তথ্য চায়, সেই ক্রমেই সাজানো, তাই ডেটা তুলতে এক মিনিট লাগে।

আপনি শাখা, সাইবার সেল বা অভিযোগ বিভাগে কাজ করলে অভিযোগকারীদের এই পাতার কথা বলতে পারেন: তাঁরা গোছানো তথ্য নিয়ে আসবেন। টুলটি পুরোপুরি অভিযোগকারীর ব্রাউজারে চলে এবং কিছুই সংরক্ষণ করে না।

পরের চেষ্টার আগেই নিজেকে সুরক্ষিত করুন

একবার টাকা হারানো মানুষকে প্রায়ই কয়েক দিনের মধ্যে আবার নিশানা করা হয়। কয়েকটা পরিবর্তন পরের প্রতারণার ক্ষতি অনেক কমায়।

  • UPI-র জন্য আলাদা অ্যাকাউন্ট রাখুন। কম ব্যালান্সের দ্বিতীয় একটি সেভিংস অ্যাকাউন্টে UPI যুক্ত করুন, আর সঞ্চয় রাখুন এমন জায়গায় যেখানে UPI পৌঁছয় না।
  • সম্ভব হলে অনলাইনে ক্রেডিট কার্ডে পেমেন্ট করুন। ডিসপিউট সহজ, আর ২০২৭ থেকে ক্রেডিট কার্ডে প্রতারণায় পাঁচ দিনের মধ্যে সাময়িক রিভার্সাল মেলে। প্রতি মাসে পুরো বিল মিটিয়ে দিন।
  • শুধু SEBI-নথিভুক্ত ব্রোকার ও উপদেষ্টার মাধ্যমে বিনিয়োগ করুন, SEBI Check-এ যাচাই করে, আর শুধু যাচাই করা @valid UPI আইডিতে টাকা দিন।
  • বিনামূল্যের সরকারি সুরক্ষা ব্যবহার করুন: Google Play Protect, csk.gov.in-এ CERT-In-এর বিনামূল্যের টুল, আর প্রতারণার কল জানাতে sancharsaathi.gov.in-এ চক্ষু।

সাধারণ প্রশ্ন

UPI প্রতারণার পর কি টাকা ফেরত পাওয়া যায়?

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নিলে প্রায়ই পাওয়া যায়। ১৯৩০-এ ফোন করুন, যাতে টাকা থাকতে থাকতেই প্রাপক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়, আর সেদিনই ব্যাংককে জানান। ব্যাংকের ত্রুটিতে হলে জানানোর সময় যাই হোক, আপনার দায় শূন্য। তৃতীয় পক্ষের নিরাপত্তা-ত্রুটিতে সময়মতো জানালে দায় শূন্য। OTP বা PIN দিয়ে থাকলে জানানো পর্যন্ত ক্ষতি আপনার। ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে OTP দিয়ে ফেলা ভুক্তভোগীও ₹৫০,০০০ পর্যন্ত ক্ষতির ৮৫%, সর্বোচ্চ ₹২৫,০০০, জীবনে একবার পেতে পারেন। তবে শর্ত হল, প্রতারণার পাঁচ ক্যালেন্ডার দিনের মধ্যে ব্যাংক এবং ১৯৩০ বা cybercrime.gov.in — দুই জায়গাতেই জানাতে হবে, আর ব্যাংককে তার নীতি অনুযায়ী নিশ্চিত হতে হবে যে ক্ষতিটা প্রকৃত।

ব্যাংক প্রতারণায় টাকা ফেরত পেতে কত দিনের মধ্যে জানাতে হবে?

৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত লেনদেনে তৃতীয় পক্ষের নিরাপত্তা-ত্রুটির (থার্ড-পার্টি ব্রিচ) ক্ষেত্রে ব্যাংকের অ্যালার্টের ৩ কার্যদিবসের মধ্যে জানালে দায় শূন্য; ৪ থেকে ৭ কার্যদিবসে দায়ের সীমা থাকে। ব্যাংকের ত্রুটিতে জানানোর সময় যাই হোক দায় শূন্য। ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে থার্ড-পার্টি ব্রিচের ক্ষেত্রে সময়সীমা প্রতারণার পাঁচ ক্যালেন্ডার দিন, আর ক্ষতিপূরণের জন্য সেই পাঁচ দিনের মধ্যে ১৯৩০ বা cybercrime.gov.in-এও জানাতে হবে। এই নির্দেশিকা (RBI/2026-27/167) শুধু বাণিজ্যিক ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; স্মল ফাইন্যান্স ব্যাংক, পেমেন্টস ব্যাংক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক ও লোকাল এরিয়া ব্যাংক এর বাইরে।

ভুল অ্যাকাউন্ট বা UPI আইডিতে টাকা চলে গেছে। কীভাবে ফেরত পাব?

সেদিনই UTR বা RRN নিয়ে ব্যাংকে ফোন করে লিখিত অনুরোধ পাঠান; UPI হলে অ্যাপেও ডিসপিউট তুলুন। আপনার ব্যাংক প্রাপক ব্যাংককে তার গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে। টাকা ফেরত আসে শুধু সেই ব্যক্তির সম্মতিতে বা আদালতের আদেশে, তাই রাজি না হলে থানায় অভিযোগ করে আইনি পরামর্শ নিন।

ব্যর্থ লেনদেনে RBI কী ক্ষতিপূরণ দেয়?

RBI/2019-20/67 অনুযায়ী UPI বা IMPS ট্রান্সফারে টাকা কাটা গেলেও প্রাপকের কাছে না পৌঁছলে পরের দিনের (T+1) মধ্যে ফেরত দিতে হয়। ATM, মার্চেন্টকে UPI বা কার্ড পেমেন্ট ব্যর্থ হলে T+5 দিনের মধ্যে। তার পরে প্রতিদিনের দেরির জন্য ব্যাংককে দাবি ছাড়াই ₹১০০ জমা দিতে হয়।

ভুয়ো ট্রেডিং অ্যাপে যাওয়া টাকা কীভাবে ফেরত পাব?

টাকা দেওয়া বন্ধ করুন, ১৯৩০-এ ফোন করুন, প্রতিটি লেনদেন ও অ্যাপের তথ্য দিয়ে cybercrime.gov.in-এ অভিযোগ করুন, আর থানায় অভিযোগ করুন। টাকা অন্যত্র সরার আগে আটকানোর ওপরই ফেরত পাওয়া নির্ভর করে। ভুল বুঝে নিজের ইচ্ছেয় করা পেমেন্ট RBI-র ক্ষতিপূরণে স্পষ্টভাবে ধরা নেই, তবু ব্যাংককে জানান, কারণ যোগ্যতা ব্যাংকই ঠিক করে।

চার্জব্যাক কী, আর কখন চাওয়া যায়?

চার্জব্যাক হলো কার্ড ডিসপিউট, যা আপনার ব্যাংক কার্ড নেটওয়ার্কের কাছে তোলে, মার্চেন্টের ব্যাংক থেকে টাকা ফেরত আনতে। এটি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড পেমেন্টে প্রযোজ্য, যেমন লেনদেন অননুমোদিত হলে বা জিনিস কখনও না পেলে। UPI আর ব্যাংক ট্রান্সফারে কার্ড নেটওয়ার্কের চার্জব্যাক নেই; UPI-র নিজস্ব ডিসপিউট প্রক্রিয়া আছে, যা NPCI-র নিয়মে চলে এবং UPI অ্যাপ থেকে শুরু হয়।

১৯৩০-এ অভিযোগ করলে কি টাকা ফেরত আসবে বা অ্যাকাউন্ট আনফ্রিজ হবে?

১৯৩০-এ রিপোর্ট হলে ব্যাংক প্রাপক অ্যাকাউন্টের টাকা আটকে রাখে। সেই টাকা পুলিশ আর সাধারণত আদালতের আদেশের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের ফেরত দেওয়া হয়। বিতর্কিত টাকা জমা হওয়ার কারণে আপনার নিজের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হলে ব্যাংকের কাছে অভিযোগের তথ্য চান এবং যে থানা ফ্রিজের অনুরোধ করেছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

এটা কি রিকভারি এজেন্সি? কোনো খরচ আছে?

না, কোনোটাই না। এটি একটি বিনামূল্যের নথি তৈরির টুল, যা আপনার ব্রাউজারে চলে। এটি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করে না, টাকা রাখে না বা আপনার হয়ে কাজ করে না, আর আপনি যা লেখেন তা কোথাও পাঠানো বা রাখা হয় না।

এটি একটি বিনামূল্যের স্বয়ংক্রিয় ব্যাংকিং ও আইনি নথি তৈরির টুল। এটি ব্যাংক, রিকভারি এজেন্সি, আইনি সংস্থা বা সরকারি পরিষেবা নয়, এবং RBI, NPCI, SEBI, NSE, BSE বা কোনো পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত নয়। এটি প্রকাশিত নিয়ম ব্যাখ্যা করে এবং আপনার লেখা তথ্য থেকে চিঠি তৈরি করে; আইনি পরামর্শ দেয় না বা কোনো ফলাফলের নিশ্চয়তা দেয় না। আপনার কেসের সিদ্ধান্ত নেয় আপনার ব্যাংক, পুলিশ, RBI ওম্বুডসম্যান বা আদালত। সবকিছু আপনার ব্রাউজারে চলে: আপনার লেখা কিছুই আপলোড, রেকর্ড বা সংরক্ষণ হয় না।

সরকারি সূত্র

ধাপ ৩-এর ব্যাংক-যোগাযোগ প্রতিটি ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া; প্রতিটি ব্যাংকের সঙ্গে সূত্র দেখানো আছে।

নিয়মগুলো ২৫ অক্টোবর ২০২৬-এ rbi.org.in-এর মূল RBI নোটিফিকেশনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। নিয়ম ও সীমা বদলায়: কোনো নির্দিষ্ট অঙ্কের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ার আগে নিজের ব্যাংক বা rbi.org.in-এ বর্তমান অবস্থা মিলিয়ে নিন। এই পাতা সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়।

সব নির্দেশিকা

আরও নির্দেশিকা

সাইবার সেল ও ব্যাংক নোডাল অফিসারের ইমেল ডিরেক্টরি — সঙ্গে এক ক্লিকে অভিযোগপত্র

পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও উত্তরপ্রদেশের সাইবার ক্রাইম থানার সরকারি ইমেল, ১১টি ব্যাংকের অভিযোগ-যোগাযোগ, আর এক ক্লিকে পাঠানো যায় এমন অভিযোগপত্র।

ডিরেক্টরি খুলুন

UPI প্রতারক চেকার: টাকা পাঠানোর আগে UPI আইডি যাচাই করুন

বিনামূল্যের UPI প্রতারক চেকার: UPI আইডি বা পেমেন্ট লিঙ্কে বিপদসংকেত খুঁজুন, SEBI-র @valid হ্যান্ডেল যাচাই করুন, RBI-র রিপোর্টিং সময়সীমা গুনুন আর অভিযোগের খসড়া বানান।

চেকার খুলুন

প্রতারণায় টাকা গেছে? প্রথম ২৪ ঘণ্টা, ধাপে ধাপে

প্রতারণার সময় অনেকে প্রথম কয়েক ঘণ্টা ফোনে তর্ক করে বা টাকা ফেরত আসার অপেক্ষায় থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় প্রথম ২৪ ঘণ্টা। এই চেকলিস্টে ক্রমানুসারে কী করতে হবে তা দেওয়া আছে।

গাইডটি পড়ুন