আপনি সম্ভবত অফলাইনে আছেন। ইন্টারনেট ফিরে এলে অনুসন্ধান আবার কাজ করবে।

আমাদের পরিচয়

IFSC Bank Guide সম্পর্কে এবং কেন এটি আছে

আইএফএসসি ব্যাংক গাইড (IFSC Bank Guide, ifsctool.in; আগের নাম IFSCTool.in) একটি স্বাধীন, বিনামূল্যের টুল, যা ভারতীয় ব্যাংক শাখার কোড যাচাই করে এবং সেই সঙ্গে সহজ ভাষায় বোঝায় লেনদেন আসলে কীভাবে বিগড়ে যায়। এটি চালায় ভারতের একটি স্বাধীন প্রকাশক, কোনো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা সরকারি পোর্টাল নয়। এটি তৈরির কারণ সহজ: যে যাচাইয়ে পাঁচ সেকেন্ড লাগার কথা, ব্যাংকের ওয়েবসাইট ঘেঁটে তাতে প্রায়ই পনেরো মিনিট চলে যায় — ফলে বেশিরভাগ মানুষ যাচাইটাই বাদ দিয়ে দেন। এই গাইডগুলি লিখেছেন Ayan Mandal। ভুল ধরা পড়লে যোগাযোগ পাতা থেকে জানান।

আমাদের অভিজ্ঞতায়, ভারতে যে আর্থিক ক্ষতি এড়ানো যেত তার বেশিরভাগই অত্যাধুনিক আক্রমণের ফল নয়। সাধারণ মানুষ অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে, কৃত্রিমভাবে তৈরি তাড়াহুড়োর মধ্যে, এবং প্রায়ই এমন ভাষায় সিদ্ধান্ত নেন যে ভাষায় তাঁরা সবচেয়ে স্বচ্ছন্দে ভাবেন না — ক্ষতি হয় এখান থেকেই। এই তিনটি সমস্যার ব্যবহারিক সমাধান আছে: যাচাইকে তাৎক্ষণিক করা, শুধু সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতারণার কৌশলটা ব্যাখ্যা করা, এবং সবটাই ইংরেজি, বাংলা ও হিন্দিতে প্রকাশ করা যাতে বোঝাটাই বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা ইচ্ছে করেই কোনো রেজিস্ট্রেশন চাই না, আমাদের কোনো অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থা নেই, এবং আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর আমরা চাই না। অনুসন্ধান আপনার ব্রাউজারেই চলে এবং সরাসরি একটি প্রকাশ্য শাখা-তথ্যভাণ্ডার থেকে উত্তর আনে, তাই আপনার খোঁজ আমাদের কাছে পাঠানো হয় না। যেকোনো ওয়েবসাইটের মতো আমাদের সাইটও একটি ওয়েব হোস্ট থেকে চলে, যারা পাতার অনুরোধের একটি সাধারণ অ্যাক্সেস লগ রাখে; সেই লগে কী থাকে, তা গোপনীয়তা নীতিতে বলা আছে। এই সাইটের সবকিছুই একটি সরল বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে: যে মানুষ জেনেবুঝে, তাড়াহুড়ো ছাড়া সিদ্ধান্ত নেন, তাঁকে ঠকানো অত্যন্ত কঠিন। টাকা বেরিয়ে যাওয়ার আগেই আপনাকে সেই মানুষ হয়ে উঠতে সাহায্য করাই এই সাইটের কাজ — পরে অভিযোগ লিখতে সাহায্য করা নয়।

01

স্পষ্টতা, প্ররোচনা নয়

কোনো জিনিস কীভাবে কাজ করে আমরা তা ব্যাখ্যা করি, সিদ্ধান্ত আপনার। এখানে কিছুই আতঙ্ক তৈরির জন্য লেখা নয়, মনোযোগ ধরে রাখতে কিছুই বাড়িয়ে বলা নয়।

02

সচেতনতা, উদ্বেগ নয়

ভয় মানুষকে হয় জমিয়ে দেয়, নয় তাড়াহুড়ো করায়। বোঝাপড়া মানুষকে স্থির রাখে। আমরা দ্বিতীয়টিই চাই — তাই আমাদের পরামর্শ নিয়ম আওড়ায় না, কৌশলটা বুঝিয়ে দেয়।

03

ভাষা যেন কখনো বাধা না হয়

এই সাইটের প্রতিটি শব্দ ইংরেজি, বাংলা ও হিন্দিতে পাওয়া যায়, আর ভাষা বদলায় সঙ্গে সঙ্গে। আর্থিক নিরাপত্তার জন্য চাপের মুখে দ্বিতীয় ভাষা পড়তে হবে কেন?

04

আগে যাচাই, তারপর কাজ

যাঁকে টাকা দিচ্ছেন তাঁর সঙ্গে শাখা মিলিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত টুলটি ইচ্ছাকৃতভাবে অসম্পূর্ণ দেখায় — কারণ মানুষ ঠিক এই ধাপটিই এড়িয়ে যান।

আমরা কীভাবে গবেষণা করি ও প্রকাশের আগে যাচাই করি

এই সাইটের সব কিছু লেখা হয় এই ভেবে যে পাঠক তার উপর ভিত্তি করে কাজ করবেন — তাই সতর্কভাবেই লেখা হয়। শাখার তথ্য আসে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার প্রকাশিত শাখা-তালিকার উপর তৈরি একটি সর্বজনীন ডেটাসেট থেকে, আর নির্দেশিকার প্রতিটি নিয়ম, সময়সীমা ও টাকার অঙ্ক প্রকাশের আগে মূল সূত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় — RBI-এর সার্কুলার বা প্রেস রিলিজ, NPCI-এর সার্কুলার, বা ভারত সরকারের নির্দেশিকা।

প্রতিটি নির্দেশিকায় সর্বশেষ পর্যালোচনার মাস লেখা থাকে। ভারতে পেমেন্টের নিয়ম প্রায়ই বদলায়: ২০২৫ সালে UPI-তে কালেক্ট রিকোয়েস্টের নিয়ম বদলেছে, ব্যাংকের ওয়েবসাইট .bank.in ডোমেইনে সরে গেছে, আর গ্রাহকের দায়বদ্ধতার কাঠামো ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে আবার বদলাবে। নিয়ম বদলালে আমরা পুরনো পরামর্শ রেখে দিই না — নির্দেশিকা হালনাগাদ করে পর্যালোচনার তারিখ এগিয়ে দিই।

যে পরিসংখ্যানের সূত্র দিতে পারি না, তা প্রকাশ করি না; সম্পাদকীয় লেখার বিনিময়ে টাকা নিই না; আর ভুল হলে দ্রুত ও স্পষ্টভাবে সংশোধন করি। কোনো ভুল পেলে — শাখার তথ্য, তারিখ বা কোনো অঙ্ক — আমাদের জানান, আমরা ঠিক করে দেব।

ভুল সংশোধনের জন্য জানান

সর্বশেষ সংশোধন: ২ নভেম্বর ২০২৬